বাংলা ভাষার আদি স্তরের স্থিতিকাল কোনটি?
-
ক
দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী
-
খ
একাদশ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী
-
গ
দ্বাদশ থেকে ষোড়শ শতাব্দী
-
ঘ
ত্রয়োদশ থেকে সপ্তদশ শতাব্দী
উত্তর হল ক, দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী।
বাংলা ভাষার আদিস্তর হল সেই সময়কাল যখন বাংলা ভাষা মাগধী প্রাকৃত থেকে বিবর্তিত হয়ে একটি স্বতন্ত্র ভাষায় পরিণত হয়। এই সময়কালে বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার ও ব্যাকরণগত কাঠামো মাগধী প্রাকৃতের সাথে খুব কাছাকাছি ছিল। তবে, এই সময়কালেই বাংলা ভাষার নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্যও দেখা দেয়।
বাংলা ভাষার আদিস্তরের স্থিতিকাল নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভাষাবিদদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তবে, বেশিরভাগ ভাষাবিদদের মতে, বাংলা ভাষার আদিস্তরের স্থিতিকাল হল দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী। এই সময়কালে বাংলা ভাষার যেসব প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া যায় সেগুলি থেকে বাংলা ভাষার আদিস্তরের বৈশিষ্ট্যগুলি স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।
বাংলা ভাষার আদিস্তরের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন হল:
- বৌদ্ধ ধর্মের সূত্র ও গ্রন্থাবলী
- হিন্দু ধর্মের পুরাণ ও কাহিনী
- নাথ ধর্মের আচার-অনুষ্ঠানের বর্ণনা
- রাজা ও সভাসদদের প্রশস্তি
এই নিদর্শনগুলি থেকে বাংলা ভাষার আদিস্তরের শব্দভাণ্ডার, ব্যাকরণগত কাঠামো ও সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্যগুলি জানা যায়।
বাংলা ভাষার ইতিহাস -
বাংলা ভাষা বিকাশের ইতিহাস ১৩০০ বছর পুরনো। চর্যাপদ এ ভাষার আদি নিদর্শন। অষ্টম শতক থেকে বাংলায় রচিত সাহিত্যের বিশাল ভাণ্ডারের মধ্য দিয়ে অষ্টাদশ শতকের শেষে এসে বাংলা ভাষা তার বর্তমান রূপ পরিগ্রহণ করে। বাংলা ভাষার লিপি হল বাংলা লিপি। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে প্রচলিত বাংলা ভাষার মধ্যে শব্দগত ও উচ্চারণগত সামান্য পার্থক্য রয়েছে। বাংলার নবজাগরণে ও বাংলার সাংস্কৃতিক বিবিধতাকে এক সূত্রে গ্রন্থনে এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে তথা বাংলাদেশ গঠনে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
১৯৪৭ থেকে ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ব বাংলায় সংগঠিত বাংলা ভাষা আন্দোলন এই ভাষার সাথে বাঙালি অস্তিত্বের যোগসূত্র স্থাপন করেছে। ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদী ছাত্র ও আন্দোলনকারীরা সংখ্যাগরিষ্ঠের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষাকরণের দাবিতে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেন। ১৯৮৭ সালের বাংলা ভাষা প্রচলন আইন বাংলাদেশের সকল রাষ্ট্রীয় কাজে বাংলার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ১৯৫২ সালের ভাষা শহিদদের সংগ্রামের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারি দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
Related Question
View All-
ক
উড়িষ্যা
-
খ
তামিল
-
গ
নাগপুর
-
ঘ
মিজোরাম
-
ক
আইভরি কোস্ট
-
খ
লাইবেরিয়া
-
গ
সিয়েরা লিওন
-
ঘ
মিশর
-
ক
সংস্কৃত ভাষা
-
খ
পালি ভাষা
-
গ
ইন্দো-ইরানী ভাষা
-
ঘ
ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা
-
ক
ষষ্ঠ
-
খ
সপ্তম
-
গ
পঞ্চম
-
ঘ
অষ্টম
-
ক
১৫ কোটি
-
খ
২০ কোটি
-
গ
৩০ কোটি
-
ঘ
৪০ কোটি
-
ক
গৌড় অঞ্চলের মুখের ভাষা
-
খ
গৌড় সাহিত্যের স্বাভাবিক রীতি
-
গ
গৌড় ভাষার লিখিত নমুনা
-
ঘ
গৌড় ভাষার বিকৃত উচ্চারণ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন